বৈশাখবন্দী একগাদা ছাই
কবিতার বৃত্তে তাঁকে বাঁধা যায়নি । এমনও অনেক কবিতায় যে ভেসে আসতো, রংতুলির মতো আঁচড় কেটে যেত সে হয়তো কোথাও ডুবে গেছে নোনাজলে । মনের ভুলে জানালা খুলে রাখায় স্যাঁতস্যাঁতে কোনো বিছানায় সে হয়তো করছে এপাশ-ওপাশ ।
তাঁর বাড়ি ফেরার মোড়ে মস্ত বড় একটা জারুল গাছে এখনও হয়তো সারি সারি ফুল ফুটে আছে । যে দোকান থেকে সিগারেট ধরিয়ে পথ হাঁটতে হতো, সেই দোকানদার হয়তো ভাবছে লোকটি তাঁর পথ বদলিয়েছে কিংবা মরে গেছে ।
এমনও হতে পারে সারাদিনের ক্লান্তির পর প্রচন্ড মাথাব্যথা নিয়ে বাড়ি ফিরছে এখনও । কিংবা তীব্র রোদের মাঝে কোনো এক অজুহাতে বের হয়ে ফুটপাত ধরে হাঁটছে ।
কারোর প্রতি কোনো দ্বিধা বা সংশয় মরুকরণ নীতিকে প্রাধান্য দেয়, জীবনকে বিষাক্ত করে তোলে । জোছনার আলোতে উজ্জ্বল হয়ে যে রোজ বিকেলে পার্কে এসে বসতো সে এখন একটি প্রতিবিম্বের কাছে নতজানু হয়ে যাচ্ছে ।
স্থিরভাবে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে একটা বইয়ের পাতার মাঝে । অথচ কেউবা তাঁর সেই দৃষ্টির কারণে বেদনা গুণতে গুণতে পচন ধরে ফেলেছে । হৃদপিণ্ডের বাম প্রকোষ্ঠে এখনও সযত্নে গাছের মতো কোনো ভালোবাসাকে ঘিরে রেখেছে আপনমনে ।
সাব্বির আহমেদ সাকিল
২৯ বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, গ্রীষ্মকাল | শুক্রবার | ১২ মে ২০২৩ ইং | কৃষ্ণ ষষ্ঠী | আপন নীড়, বগুড়া
Comments
Post a Comment