বায়ুদূষণ থেকে মুক্তির পথে


শেষমেষ তদবির, ঘুষ অকার্যকর হওয়া দেখে আমার চোখ যেন চড়কগাছ হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে । হাইকোর্টের নির্দেশনা বিগতে বহুবার দেওয়া হলেও ঘুষ এবং তদবির করে নিয়ম না মেনে লোকালয়ে অবস্থিত ইটভাটাগুলো দীর্ঘদিন বহাল তবিয়তে ছিলো । 

সেদিন প্রথম আলো অনলাইন ভোটে মোস্ট প্রোবাবলি ৮৬% মানুষ ভোট দিয়েছিল যে স্থানীয় প্রশাসন ইটভাটা বন্ধে হাইকোর্টের রায় কার্যকরে কাজ করবেনা বলে মনে করেন । 

আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে গতবছর আমাদের জমিতে(যেটাতে পূর্বে ইটের কাজ হতো) সেখানে দারুণ মাষকলাই চাষ হয়েছিল, এবছরও সেসব জমিতে ধানের চাষ হয়েছে । আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে বলেই ধারণা করা যাচ্ছে । 

দীর্ঘদিনের একটি জনবহুল সমস্যা থেকে পুরোপুরি নিস্তার পেলাম বলে মনে হচ্ছে । জ্যৈষ্ঠ মাসে আমরা আম, কাঁঠাল খেতে পারিনি, ফল আসার পরপরই ভাটার ধোঁয়াতে তা নষ্ট হয়ে গেছে, বোরো কিংবা আমনের মৌসুমে পাশের কিছু জমিতে ধান চাষ হতো সেগুলোর ধান পুড়ে গেছে । 

এছাড়াও অন্যান্য ফসলের উৎপাদন কমে গিয়েছে ইটভাটাগুলোর কারণে । এছাড়াও অধিক ট্রাক চলাচলের কারণে মেইন রাস্তার বেহাল দশা, শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ সর্বোপরি পরিবেশ দূষণের মতো সমস্যাগুলো ছিলো নিত্যদিনের সঙ্গী । যাঁর ফলশ্রুতিতে এলাকার মানুষজন রোগবালাইয়ে তুলনামূলক বেশী ভুগতো । 

স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক এরকম কাজের নজির দেখে আমরা আনন্দিত এবং অভিভূত । মহামান্য হাইকোর্টকে বিশেষ ধন্যবাদ । ধন্যবাদ পরিবেশ অধিদপ্তর বগুড়া’কে । আমাদের কাঙ্ক্ষিত সমস্যাকে সমাধান করে দেবার জন্য । 

সাব্বির আহমেদ সাকিল 
০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল | বৃহস্পতিবার | ১৭ নভেম্বর ২০২২ ইং | আপন নীড়, বগুড়া

#কৃতজ্ঞতা #হাইকোর্ট #ইটভাটা #শব্দদূষণ #পরিবেশদূষণ #শাজাহানপুর

Comments

Popular posts from this blog

কবিতা | তুমি চলে যাবার পর

সংবাদমাধ্যমে দৈনদশা

কবিতা | এবং এখান থেকে